Panchayat election  state election commission order on civic volunteer deployment during vote
ছবি: নিউজ ১৮

কলকাতা: পঞ্চায়েত নির্বাচনে বুথ, ভোটকেন্দ্র স্ট্রংরুম, ব্যালট বাক্স বিতরণ কেন্দ্র ও গণনা কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকছে রাজ্যের ৭০ হাজার সশস্ত্র পুলিশ। এছাড়াও ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে ভোটারদের লাইন নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে সিভিক ভলান্টিয়ারদের। রাজ্য পুলিশের এই বিপুল সংখ্যক কর্মীদের নিজের জেলা থেকে অন্য জেলায় পাঠানো হচ্ছে।

এই বিশাল কর্মযজ্ঞে রাজ্যের তরফে নোডাল অফিসার হয়েছেন এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) জাভেদ শামিম। সোমবার তিনি রাজ্যের ২২ টি জেলার পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনার-সহ পুলিশের বিভিন্ন বিভাগীয় কর্তাদের চিঠি লিখে বেশ কিছু নির্দেশিকা পাঠিয়েছেন। যার প্রথমেই বলা হয়েছে নির্বাচনের ঠিক ৪৮ ঘণ্টা আগে অর্থাৎ বৃহস্পতিবার সকাল দশটার মধ্যে জেলায় জেলায় পুলিশ মোতায়েনের কাজ শেষ করতে হবে। জেলা স্তরে এজন্য একজন অফিসার নিয়োগ করতে হবে এবং অবশ্যই তিনি হবেন সিনিয়র কোনও অফিসার।

এডিজি চিঠিতে লিখেছেন, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার মধ্যে সব জেলায় পুলিশ  মোতায়েন এর কাজ সম্পন্ন করতে হবে। সব জেলার পুলিশ সুপার ও কমিশনার সহ জেলা স্তরে পুলিশের সমস্ত বিভাগীয় কর্তাদের নির্দেশ পাঠালেন পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্য পুলিশের তরফে নোডাল অফিসার এডিজি(আইনশৃঙ্খলা) জাভেদ শামিম।

নির্দেশে বলা হয়েছে পুলিশ সুপার অথবা কমিশনারদের জেলা এবং ইউনিট স্তরে নোডাল অফিসার নিযুক্ত করতে হবে। বলা হয়েছে পুলিশবাহিনী মোতায়নের ক্ষেত্রে যে জেলা থেকে এবং যে জেলায় পুলিশ বাহিনী আসবে উভয় জেলার নোডাল অফিসারদের ফোন নম্বর নাম নির্বাচন কমিশন এবং রাজ্য পুলিশকে জানাতে হবে। এই কাজে সিনিয়র অফিসারদের নিযুক্ত করতে হবে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা মতো উপযুক্ত সংখ্যক পুলিশ আধিকারিক এবং পুলিশ কর্মী মোতায়েন করতে হবে। পুলিশ কর্মীর সংখ্যা কম হলে তা বরদাস্ত করা হবে না। সমস্ত পুলিশকে আগ্নেয়াস্ত্র, লাঠি এবং হেলমেট সঙ্গে রাখতে হবে। এক জায়গায় সমস্ত পুলিশ জড়ো হওয়ার পর সেখান থেকে নির্দিষ্ট এলাকায় মোতায়েন করতে হবে।

Published by:Sanjukta Sarkar

First published:

Tags: Panchayat Election 2023, West Bengal news

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।