ZXVybBlLWJcmzLWFzLWhlYXRYXZlLWJyZWFrcyZWwZXJhdHVyZSyZWNvcmRzLWltYWdlLTEODgwMjEzNjcuanBn
ছবি: পি পি বি ডি

প্রকাশ:  ২৯ জুন ২০২৩, ১২:৪৭

২০২২ সালে প্রায় ৪১ হাজার বর্গকিলোমিটার বনভূমি হারিয়েছে পৃথিবী। মঙ্গলবার (২৭ জুন) বিশ্বজুড়ে বনভূমির ওপর নজরদারি ব্যবস্থা গ্লোবাল ফরেস্ট ওয়াচ এ তথ্য তুলে ধরেছে।

গ্লোবাল ফরেস্ট ওয়াচ পরিচালনা করা হয় অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড রিসোর্সেস ইনস্টিটিউটের (ডব্লিউআরআই) অধীনে।

সম্পর্কিত খবর

এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

স্যাটেলাইট থেকে ধারণ করা তথ্য বিশ্লেষণ করে গ্লোবাল ফরেস্ট ওয়াচ বলছে, ২০২২ সালে প্রায় ৪১ হাজার বর্গকিলোমিটার চিরহরিৎ বনভূমি হারিয়েছে পৃথিবী।

এর মধ্যে ব্রাজিল ৪৩%, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র ১৩% ও বলিভিয়া ৯% চিরহরিৎ বন ধ্বংসের জন্য দায়ী। অন্যদিকে ২০২২ সালে ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ায় রেকর্ড পরিমাণ কম বন ধ্বংস করা হয়েছে।

ব্রাজিলের বনভূমি ধ্বংস বৃদ্ধির জন্য দায়ী করা হয় দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারোকে। ২০২২ সালে নির্বাচনে হেরে পদ ছাড়তে হয়েছে তাকে। ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালে বনভূমি উজাড় ১৫% বেড়েছে দেশটিতে। অন্যদিকে কৃষি খাতের সম্প্রসারণ বলিভিয়ায় বনভূমি উজাড়ের বড় কারণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

গ্লোবাল ফরেস্ট ওয়াচের তথ্য বলছে, ২০২২ সালে বন ধ্বংসের কারণে ২৭০ কোটি টন কার্বন ডাই–অক্সাইড গ্যাস নির্গত হয়েছে। এটি এক বছরে ভারতে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের কারণে নির্গত কার্বন ডাই–অক্সাইড গ্যাসের সমান। বর্তমানের বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ ভারত। কার্বন ডাই–অক্সাইড জলবায়ু সংকট বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখে।

২০৩০ সাল নাগাদ বনভূমি উজাড় শূন্যের কোঠায় আনতে সম্প্রতি একমত হয়েছিল বিশ্বের বেশির ভাগ দেশ। এরপরও ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালে বেশি চিরহরিৎ বন ধ্বংস হয়েছে।

ডব্লিউআরআইয়ের কর্মকর্তা ফ্রান্সিস সেইমর বলেন, “২০২২ সালে যে বন উজাড় হয়েছে, তা কষ্ট দেওয়ার মতো। আমরা বন উজাড় অনেক কমিয়ে এনেছি—এমন আশা করেছিলাম।”

তবে সামগ্রিকভাবে বিশ্বে ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালে বন উজাড় ১০% কমেছে বলে জানিয়েছে গ্লোবাল ফরেস্ট ওয়াচ। এরপরও এটা ২০৩০ সাল নাগাদ বনভূমি উজাড় বন্ধে যে পরিমাণ বন ধ্বংস কমানো প্রয়োজন, তার চেয়ে ১০ হাজার বর্গকিলোমিটার বেশি।

এ নিয়ে ডব্লিউআরআইয়ের পরিচালক রড টেইলর বলেন, “আমরা পথ থেকে দূরে সরে গেছি এবং ভুল পথে চলছি।”

মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে প্রতিবেদনটি প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডব্লিউআরআইয়ের বৈশ্বিক বনাঞ্চল বিভাগের পরিচালক মিকেইলা ওয়েইসা বলেন, “এই শতকের শুরু থেকে বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বনাঞ্চলগুলোর ধ্বংসের হার মারাত্মকভাবে বেড়েছে। বিভিন্ন দেশের সরকারগুলোর নানা নীতি নেওয়া সত্ত্বেও এই ধ্বংসযজ্ঞ থামানো যাচ্ছে না।”

“জলবায়ুর পরিবর্তন নিয়ে এখন চারদিকে কথা হচ্ছে। যদি আমরা বনাঞ্চল উজাড় হওয়া ঠেকাতে না পারি, সেক্ষেত্রে জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিরোধ, জীববৈচিত্র রক্ষা, কোটি কোটি মানুষের স্বাস্থ্য ও জীবনের নিরাপত্তা— সবকিছু বিপন্ন হবে,” সংবাদ সম্মেলনে বলেন মিকেইলা ওয়েইসা।


সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।