Banner X.jpgoverlay positionbottomoverlay width pct
ছবি: প্রথম আলো

দিনমজুর ইমাম হোসেন। তাঁর ঝুপড়ি ঘরের টিনের চালা ভেঙে পড়ার অবস্থা। চালের ছিদ্র দিয়ে ঘরের ভেতর ফোঁটায় ফোঁটায় পড়ে বৃষ্টির পানি। টাকার অভাবে তিনি ঘরের চাল মেরামত করতে পারছেন না। এরই মধ্যে ১০ আগস্ট জনতা ব্যাংকের বাড়বকুণ্ড শাখা তাঁকে পৌনে ৮ লাখ টাকার ঋণখেলাপি ঘোষণা করে ঋণ পরিশোধের নোটিশ দেয়। অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

এমন নোটিশ পেয়ে হতভম্ব ইমাম হোসেন। তিনি ঋণ নেওয়া তো দূরের কথা, কখনো ঋণের জন্য আবেদনও করেননি বলে দাবি তাঁর। ইমামের প্রতিবেশী সালেহা বেগম মারা গেছেন ২০২১ সালের ১৯ জুন। সালেহার স্বামী ফয়েজ উল্ল্যাহও একই দিন ব্যাংকের ঋণ পরিশোধের নোটিশ পান। কিন্তু কিসের ঋণ, আর কে নিয়েছেন ঋণ, সেটা তিনি বুঝতে পারছেন না। ফয়েজ উল্ল্যাহ ও তাঁর মৃত স্ত্রী কখনো ঋণের জন্য আবেদনই করেননি বলে জানান। অথচ ব্যাংকের নোটিশে কৃষক ফয়েজ জানতে পারেন, মৃত স্ত্রী ও তাঁর নিজের নামে ৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা ঋণ তোলা হয়েছে।

শুধু ইমাম হোসেন ও ফয়েজ উল্ল্যাহ নন, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের মান্দারিটোলা গ্রামের ৫৫ জন হতদরিদ্র মানুষ, প্রায় কোটি টাকার এমন গায়েবি ঋণের ফাঁদে পড়েছেন বলে ভুক্তভোগীরা দাবি করছেন। যাঁরা ঋণ পরিশোধের নোটিশ পেয়েছেন, তাঁদের কেউ কৃষিকাজ করেন, কেউ বাবুর্চির কাজ করেন, আবার কেউ দিনমজুর। তাঁরা কেউ জানেন না তাঁদের নামে জনতা ব্যাংকের বাড়বকুণ্ড শাখায় একাধিক হিসাবের বিপরীতে প্রায় কোটি টাকার ঋণ তোলা হয়েছে। তাঁদের প্রতিজনের একেকটি হিসাবের বিপরীতে এক লাখ থেকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ উত্তোলন করা হয়েছে। ঋণের ধরন কৃষিকাজ ও ক্ষুদ্রশিল্প উল্লেখ করা। ঋণ পরিশোধের এমন নোটিশে তাঁদের দিশাহারা অবস্থা।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।