fabbdbcbcecc dcd
ছবি: আজকের পত্রিকা

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার কারণে সরকার যখন কৃচ্ছ্রসাধনের কথা বলছে, তখন সরকারি খরচে ৭৯ জনের বিশাল বহর নিয়ে জাপান যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। ঢাকা থেকে জাপানের নারিতায় বিমানের সরাসরি ফ্লাইট উদ্বোধন উপলক্ষে এই সফরের আয়োজন করা হয়েছে।

বিমান সূত্রে জানা গেছে, অতিথিরা সরকারি খরচে পাঁচ দিন জাপানে থাকবেন। এর জন্য বাজেট ধরা হয়েছে ২০ কোটি টাকা। উদ্বোধনী ফ্লাইটে এত অতিথি যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকে। তবে বিমান থেকে বলা হয়েছে, কতজন যাবে, এখনো তা চূড়ান্ত হয়নি। আবার অনেকের ভিসা পাওয়া-না পাওয়ার বিষয় রয়েছে।

বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শফিউল আজিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উদ্বোধনী ফ্লাইট প্রমোশনের বিষয় আছে। বিমানের সঙ্গে জাপানি এয়ারলাইনসের অনেক বিষয় জড়িত রয়েছে। বিমানের নিজস্ব কর্মী, মন্ত্রণালয়, সিভিল এভিয়েশনের লোকজন রয়েছে। তবে যত সংখ্যার কথা বলা হচ্ছে, এটা ঠিক না। এর মধ্যে ২১ জন সাংবাদিককে আমরা নিয়ে যাচ্ছি।’

বিমানের তথ্যমতে, বাংলাদেশের কোনো এয়ারলাইনসের সরাসরি জাপানে ফ্লাইট নেই। আগামী ১ সেপ্টেম্বর ঢাকা-নারিতা ফ্লাইটের মাধ্যমে এটা শুরু হবে।

উদ্বোধনী ফ্লাইটটি ১ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যাত্রা করবে। ২ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে জাপানের নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবে। ওই দিন নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে ফ্লাইট বিজি-৩৭৭ যাত্রা করবে।

উদ্বোধনী ফ্লাইট সামনে রেখে গত ২৫ জুলাই থেকে ঢাকা-নারিতা রুটের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। ঢাকার পাশাপাশি কাঠমান্ডু, দিল্লি ও কলকাতা থেকেও যাত্রীরা বিশেষ মূল্যে ওই রুটের টিকিট কিনতে পারছেন। ১৫ আগস্ট পর্যন্ত ৫ শতাংশ ডিসকাউন্ট মূল্যে টিকিট বিক্রি হয়েছে। অফার ছাড়া ঢাকা থেকে এ রুটের একমুখী সর্বনিম্ন ভাড়া ৭০ হাজার ৮২৮ টাকায় শুরু এবং রিটার্ন টিকিটের মূল্য শুরু জনপ্রতি ১ লাখ ১১ হাজার ৬৫৬ টাকা।

কারা যাচ্ছেন বিমানের বিলাসী বহরে
ঢাকা-নারিতা উদ্বোধনী ফ্লাইটে মোট ৭৯ জনের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে রয়েছেন মন্ত্রণালয়, বিমান, বেবিচক কর্মকর্তা ও সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলীর নেতৃত্বে মন্ত্রণালয়ের ২০ জন কর্মকর্তা সফরে যাচ্ছেন। বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বিমানের ২৪ সদস্যের প্রতিনিধিদল—যার মধ্যে বিপণন, বাণিজ্যিক এবং অন্যান্য বিভাগের পরিচালক ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও রয়েছেন। প্রতিনিধিদলে থাকবেন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ২১ জন সাংবাদিক এবং ১০টি ট্রাভেল এজেন্সি, বিমানের টিকিট বুকিংসহ অনলাইনভিত্তিক পরিষেবার কাজ পাওয়া জিডিএস (গ্লোবাল ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম) কোম্পানি মিলে মোট ১৪ জন প্রতিনিধি থাকবেন।

১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ বিমানের ঢাকা-টোকিও ফ্লাইট চালু হয়েছিল। ১৯৮১ সালে সাময়িক বিরতির পর তা আবার চালু হয়। তবে তখন টোকিওর পরিবর্তে ঢাকা-নারিতা গন্তব্যে সেই ফ্লাইট চলত। ক্রমাগত লোকসানের কারণে ২০০৬ সালে এই গন্তব্যে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ করে দেয় বিমান। ১৭ বছর পর আবার সেই গন্তব্যে ফ্লাইট শুরু করা হচ্ছে।


সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।