Untitled  samakal fedea
ছবি: সমকাল

ক্রেন কাত হয়ে প্রাইভেটকারের ওপর গার্ডার পড়ে পাঁচজনের মৃত্যুর ঘটনায় বাস র‌্যাপিড ট্রানজিটের (বিআরটি) চীনা ঠিকাদারদের শাস্তি দিলে আপত্তি নেই চীনের।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এবিএম আমিন উল্লাহ নূরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ কথা জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিং। 

রাষ্ট্রদূত বলেন, গার্ডার দুর্ঘটনা তদন্তে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে এসেছে। তারা সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটিকে সহায়তা করতে প্রস্তুত। তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিলে আপত্তি থাকবে না চীনের। 

সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রাষ্ট্রদূতের বরাতে তা জানানো হয়েছে।

গত সোমবার রাজধানীর উত্তরার জসীমউদদীন মোড়ে যেখানে গার্ডার পড়ে পাঁচজন নিহত হয়েছেন, বিআরটির সেই অংশের ঠিকাদার চায়না গেঝুবা গ্রুপ কোম্পনি লিমিটেড। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) অধীনে এ অংশের কাজ চলছে। সেতু কর্তৃপক্ষের (বিবিএ) অধীনে বিআরটির উড়াল অংশের ঠিকাদার চীনের আরেক প্রতিষ্ঠান জিয়াংশু প্রভিন্সিয়াল ট্রান্সপোর্টেশন ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড।

গার্ডার দুর্ঘটনায় প্রাথমিক তদন্তে ঠিকাদারের দায় পাওয়া গেছে। তাদের কর্মকাণ্ডে আপত্তি করে সওজ ৩২ বার চিঠি দিয়েছে। 

বিআরটি সূত্র জানিয়েছে, চীনের ঋণে বাংলাদেশে অনেক প্রকল্প চলছে। বাংলাদেশ-চীনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের কারণে বারবার চুক্তি লঙ্ঘন করেও ছাড় পেয়েছে চীনা ঠিকাদাররা। দেশটির সঙ্গে সম্পর্কের অবনতির আশঙ্কায় শাস্তি দেওয়া হয়নি, জরিমানাও করা হয়নি।

তবে অতীতে বারবার ছাড় দেওয়া হলেও গার্ডার দুর্ঘটনার পর ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তৎপর হয়েছে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সরকারি সংস্থাগুলো। 

গত বুধবার সচিবের সভাপতিত্বে সভায় সিদ্ধান্ত হয়, চুক্তিপত্র অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। জরিমানা নাকি চুক্তি বাতিল করে ঠিকাদারকে নিষিদ্ধ করা হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর। 

চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে সচিব আমিন উল্লাহ নূরী বলেছেন, তদন্ত কমিটিতে বুয়েটের এক প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন— সড়ক ও জনপথের (সওজ) প্রধান প্রকৌশলী এ কে এম মনির হোসেন পাঠান, বিআরটি প্রকল্পের সমন্বয়ক  অতিরিক্ত সচিব নিলীমা আখতার, ঢাকা বিআরটি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সফিকুল ইসলাম ও প্রকল্পের পরামর্শক দলনেতা টিগ ম্যা করিন।


সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।