ছবি: ভরের কাগজ

টানা বর্ষণ ও ভারতের মেঘালয়ে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে সুনামগঞ্জে নেমে এসেছে পাহাড়ি ঢল। বৃষ্টি ও উজানের ঢলে হাওর এলাকার নদনদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে জেলার বিভিন্ন উপজেলার পাশাপাশি ডুবছে শান্তিগঞ্জ উপজেলার নিম্নাঞ্চল। টানা বৃষ্টি চলমান থাকায় প্রতিনিয়ত ডুবছে নতুন নতুন এলাকা। এতে বন্যার শঙ্কা দেখা দেয়ায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সরেজমিন বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে প্লাবিত হয়ে পড়ছে নিম্নাঞ্চল। গত এক সপ্তাহ ধরে নদনদীর পানি হ্রাস পেয়ে দেখা দিয়েছে বন্যা পরিস্থিতি। ফলে ডুবে যাচ্ছে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। অনেক এলাকার মানুষদের রাস্তায় ওপর নৌকা দিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। ঘরবাড়ি আবারো ডুবে গবাদিপশু নিয়েও বিপাকে পড়েছেন মানুষ। এছাড়া ঘরবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় আশ্রয়কেন্দ্রে ছুটছেন অনেকে। এভাবে বৃষ্টি চলমান থাকলে ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে হাওরাঞ্চলের মানুষকে।

eaacee d fa  dddfbed

এ বিষয়ে ডুংরিয়া গ্রামের আকবর আলী বলেন, গতকাল (রবিবার) পর্যন্ত ভালো ছিলাম। আজ (সোমবার) সকালে ঘরে পানি ঢুকে গেছে। এখন পরিবার পরিজন নিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে উঠছি।

কাহার মিয়া বলেন, গতকাল (রবিবার) পর্যন্ত ভালো ছিলাম। আজ (সোমবার) সকালে পানি বেড়ে উঠানে চলে এসেছে। এভাবে বৃষ্টি চলমান থাকলে যেকোনো সময় ঘরবাড়ি ডুবে যাবে। আমরা আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

এদিকে, বন্যা পরিস্থিতির খবরাখবর রাখতে জরুরি সভার পাশাপাশি কন্ট্রোল রুম চালু করেছে প্রশাসন। যেকোনো প্রয়োজনে কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগের অনুরোধ করা হয়েছে।

শান্তিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান প্রভাষক নূর হোসেন বলেন, টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে শান্তিগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আজ নতুন করে কিছু এলাকার রাস্তাঘাট ডুবে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন মানুষ। আমরা চারদিকে খোজখবর রাখছি।

শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আনোয়ার উজ জামান বলেন, বন্যা পরিস্থিতি বিবেচনায় সব আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যারা বন্যা কবলিত হয়েছেন তাদের আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

ডি- এইচএ


সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।