ছবি: ইনক্লাব

সর্বজনীন কিউআর কোড ভিত্তিক ক্যাশলেস পরিশোধ ব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে গুলশান-১ এর ডিএনসিসি মার্কেট।
আজ বিকেলে গুলশান নগরভবনে ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশের’ উদ্যোগে ডিএনসিসি মার্কেটকে সম্পূর্ণ ক্যাশলেস পরিশোধ ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্তকরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ, স্মার্ট বাংলাদেশ’ উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড ও মাস্টারকার্ডের অংশীদারিত্বে সেবা প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশের প্রথম ক্যাশলেস মার্কেট ডিএনসিসি-১, ‘এক কিউআর -এ সব পেমেন্ট’ শীর্ষক এই উদ্যোগটি বাস্তবায়ন করেছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ডিএনসিসি মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ইতিমধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণ করতে সক্ষম হয়েছি। আমরা এখন স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে কার্যক্রম শুরু করেছি। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন অনেকগুলো সেবাই এখন অনলাইনের আওতায় নিয়ে এসেছি। হোল্ডিং ট্যাক্স প্রদানের জন্য এবং ট্রেড লাইসেন্সের জন্য এখন আর কাউকে ডিএনসিসির অফিসে যেতে হয় না। অনলাইনেই ঘরে বসে এই সেবা পাচ্ছে নগরবাসী। পর্যায়ক্রমে সকল সেবা অনলাইনের আওতায় আনা হবে। আমরা রিকশার কিউআর কোড ব্যবহার করবো এর ফলে অবৈধ রিকশা চলাচল বন্ধ হবে এবং নিরাপত্তাও নিশ্চিত হবে। দ্রুতই স্মার্ট পার্কিংও চালু করা হবে।’
মেয়র বলেন, এসব সেবাগুলো অনলাইনের আওতায় আনা এতোটা সহজ কাজ নয়। এনালগ পদ্ধতিতে সেবা প্রদানে একটি চক্র কাজ করে। তারা অবৈধ সুবিধা পেতে অনলাইনে সেবা প্রদান করতে চায় না। আমরা অনলাইনের মাধ্যমে সেবা প্রদান করে এ ধরনের চক্রকে অকেজো করে দিচ্ছি। এর মাধ্যমে জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।
তিনি বলেন, “আমরা ‘সবার ঢাকা’ অ্যাপ চালু করেছি। এর মাধ্যমে যেকোনো অভিযোগ জানাতে পারবে নগরবাসী এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে সেবা দেয়া হবে। উত্তর ও দক্ষিণের দুই মেয়র মিলে নগর পরিবহন চালু করেছি। মেট্রোরেলের ই-টিকেট ব্যবহার করেই নগর পরিবহনে ভ্রমণের সুযোগ পাবে জনগণ। আমরা সেটি নিয়েও কাজ শুরু করে দিয়েছি।”
ডিএনসিসির মার্কেটগুলোতে ডিজিটাল বিলবোর্ডে দ্রব্যমূল্যের তালিকা প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানান আতিকুল ইসলাম।


সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।