Banner X.jpgoverlay positionbottomoverlay width pct
ছবি: প্রথম আলো

মোজাম্মেল জানান, বাবার জামিন হবে শুনে খুশিতে স্ত্রীর গয়না বিক্রি এবং কিছু টাকা ঋণ নিয়ে ওই ৪০ হাজার টাকা পাঠিয়েছিলেন। সেই ঋণের টাকা এখনো পুরো পরিশোধ করতে পারেননি।

তদন্তসংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা বলেছেন, কারাগার থেকে কীভাবে বন্দীর তথ্য প্রতারক চক্রের হাতে যাচ্ছে, সেটা তদন্ত করে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে জেলার পরিচয়ে কারাগারে থাকা ব্যক্তিদের পরিবারের কাছে যে ব্যক্তি ফোন করেন, তাঁকে চিহ্নিত করা গেছে। তাঁর নাম তোরাব উদ্দিন। তিনি গ্রেপ্তার অনিকের চাচা। তোরাব প্রতারণার মাধ্যমে যে টাকা মুঠোফোনে লেনদেনের অ্যাকাউন্টে আনতেন, অনিক বিভিন্ন এলাকা ঘুরে সেই টাকা তুলে চাচার কাছে পৌঁছে দিতেন। ২০ হাজার টাকা আনলে চাচা তাঁকে দুই হাজার টাকা দিতেন। অনিকের কাছ থেকে উদ্ধার করা ২৪টি এমএসএফ অ্যাকাউন্টের লেনদেনের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত ছয় মাসে প্রায় আড়াই কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে এসব অ্যাকাউন্টে।

পুলিশ জানায়, তোরাবের গ্রামের বাড়ি কক্সবাজারের কুতুবদিয়ার লেমশাখালী এলাকায়। প্রতারণায় জড়িয়ে গ্রাম ছেড়ে বসতি গড়েন বাঁশখালী এলাকায়। প্রতারণার টাকায় বাঁশখালীতে বাগানবাড়ি করেছেন তিনি। বাড়িটি চার দিক থেকে সিসি ক্যামেরা দিয়ে ঘেরা। সেখানে থেকেই প্রতারণা করেন তিনি।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।