fabbdbcbcecc dcd
ছবি: আজকের পত্রিকা

কলেজছাত্র মাফিজুর রহমান মাফির দাফন সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে কান্না থামছে না মা আমেনা খাতুনের। আজ শুক্রবার তিনি বিলাপ করছিলেন আর বলছিলেন, ‘মোটরসাইকেল ডিলারের কারণে আমার ছেলেটা আজ শেষ হয়ে গেল। আমি আদালতে মামলা করব।’ 

মাফিজুর রহমান মাফি ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার শালকুপা গ্রামের আকিমুল ইসলামের ছেলে। সে কোটচাঁদপুর ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে তার দাফন সম্পন্ন হয়। 

মাফিজুরের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এক বছর আগে কোটচাঁদপুরের ঢাকা মোটরস নামের একটি শোরুম থেকে কিস্তিতে মোটরসাইকেল কেনে মাফিজুর রহমান। ইতিমধ্যে সে কিস্তির ১ লাখ ১০ হাজার টাকা শোধ করেছে। তবে কয়েকটি কিস্তি বাকি পড়েছে। সেই টাকা পরিশোধের জন্য মাফিজুর ২৬ আগস্ট পর্যন্ত সময় নেয়। 

এর মধ্যে গত বুধবার শোরুম থেকে তাকে ডেকে মোটরসাইকেলটি রেখে দেওয়া হয়। এই অপমান সইতে না পেরে বাড়িতে এসে আত্মহত্যা করে সে। কোটচাঁদপুর থানা-পুলিশ তাঁর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার লাশ হস্তান্তর করলে মাফিজুরের দাফন সম্পন্ন হয়। 

মোটরসাইকেল শোরুমের মালিক আলমগীর হোসেন বলেন, মাফিজুরের কাছ থেকে মোটরসাইকেল কেড়ে নেওয়া হয়নি। সে নিজে থেকে রেখে গেছে। তিন মাসের কিস্তিতে মোটরসাইকেল নিয়ে, এক বছরেও টাকা শোধ করেনি। 

আলমগীর হোসেন আরও বলেন, ‘মোটরসাইকেলটির দাম ছিল ২ লাখ ৪৬ হাজার টাকা। সেখান থেকে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা শোধ করে মাফিজুর। বাকি টাকা দেওয়ার কথা ছিল ২৬ আগস্ট। এর মধ্যে সে আমাকে সাইকেলটি বিক্রি করার কথা। বুধবার সে এসে মোটরসাইকেল রেখে চলে যায়, যার প্রমাণ সিসি ক্যামেরায় রয়েছে।’ 

কোটচাঁদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল-মামুন বলেন, এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর একটি মামলা করা হয়েছে।


সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।