ছবি: ভরের কাগজ

কঠিন সমীকরণ সামনে রেখে আজ (মঙ্গলবার) শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে মাঠে নামে আফগানিস্তান। ব্যাটিং স্বর্গ লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার ২৯২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে দলীয় ১০ রানের মাথায় গুরবাজের উইকেট হারায় আফগানরা। সুপার ফোর নিশ্চিত করতে হলে এ ম্যাচে নবি-রশিদদের ৩৭.১ ওভারে ম্যাচ জিততে হতো। ৩৭.৪ ওভারে ২৮৯ রানে আফগানিস্তানকে গুটিয়ে ২ রানে ম্যাচ জিতে গ্রুপ সেরা হয়েছে শ্রীলঙ্কা। বুধবার সুপার ফোরে বাংলাদেশ খেলবে পাকিস্তানের বিপক্ষে। পরের ম্যাচে ভারতের মোকাবিলা করবে শ্রীলঙ্কা।

সুপার ফোরের লক্ষ্যে নিয়ে ব্যাট করতে নেমে আফগানরা ৮.১ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১২১ রান তুলে। ৪ উইকেট হারিয়েও ধমে যায়নি আফগানিস্তানের ব্যাটাররা। পঞ্চম উইকেটে অধিনায়ক হাসমতউল্লাহ শহীদি ও মোহাম্মদ নবি ৮০ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তুলেন। ৩২ বলে ৬৫ রান করে আউট হন মোহাম্মদ নবি। অধিনায়ক হাসমত উল্লাহ শহীদি ৬৬ বলে ৬৯ রানে সাজ ঘরে ফিরেন।

এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন লঙ্কান অধিনায়ক দাসুন শানাকা। শুরুটা ভালো করতে পারলেও শেষের দিকে খুব একটা ভালো করতে পারেনি এশিয়া কাপের সহ-আয়োজক দেশটি। নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ৮ উইকেট হারিয়ে ২৯১ রান। জয়ের জন্য আফগানিস্তানের প্রয়োজন ২৯২ রান।

আফগানদের হারিয়ে গ্রুপ সেরা শ্রীলঙ্কা
লাহোরে মঙ্গলবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩২ বলে ৬৫ রানের ইনিংস খেলে আফগানদের সুপার ফোরের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন মোহাম্মদ নবি। ছবি: ইন্টারনেট

টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ভালো শুরু করেন লঙ্কান ওপেনা পাথুম নিশাঙ্কা ও দিমুথ করুনারত্নে। আফগানরা প্রথম ব্রেক থ্রু পান ১১তম ওভারে গুলবাদিন নায়েবের হাত দরে। ৩ বলে ৩২ রানের ইনিংস খেলে আউট হন করুনারত্নে। এরপর ১৫তম ওভারে সাজঘরে ফিরেন আরেক ওপেনার নিশাঙ্কা। ততক্ষণে ভালো গতিতেই এগিয়ে চলছিল এশিয়া কাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দলটি। ১৪.৪ ওভারে তখন তাদের সংগ্রহ দাড়ায় ৮০ রান। এরপর ৮৬ রানেই আরেকটি উইকে হারায় লঙ্কানরা। বিদায় নেন চারে নামা সাদিরা সামারাউইকরামা।

এর মধ্যে তিনে নামা কুশাল মেন্ডিস অবস্থান শক্ত করে দলকে বড় সংগ্রহের দিকে এগিয়ে নিতে থাকেন। তার সঙ্গে অপর প্রান্তে থাকা চারিথ আসালাঙ্কাও শক্ত হাতে দলের হাল ধরেন। তিনি বিদায় নেন ৩৪ রানের ইনিংস খেলে ৩৪তম ওভারে। এরপর ৩৮তম ওভারে সাজঘরের পথ ধরেন ১৪ রান করা ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা।

পরের ওভারেই সাজঘরে ফিরে যান লঙ্কানদের হয়ে সর্বোচ্চ রান করা কুশাল। তিনি ৬টি বাউন্ডারি ও ৩টি ছক্কায় সাজানো ৯২ রানের ইনিংস খেলেন। তিনি আউট হওয়ার পর দাসুন শানাকা ৫ রানে, মহেশ থিকশানা ২৮ রানে আউট হন। ৩৩ রানে অপরাজিত ছিলেন দুনিথ ওয়েল্লালাগে। আফগানদের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট শিকার করেন গুলবাদিন নায়েব, ২টি উইকেট তুলেন রশিদ খান এবং ১ উইকেট তুলেন মুজিবুর রহমান।

কেএমএল


সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।